Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

                  বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ

 

                                  নাগরিক সনদ

 

 

 
  

                                                     বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ

                                                             বিমান বন্দর ব্যবস্থাপকের দপ্তর,

                                                                কক্সবাজার বিমান বন্দর ,কক্সবাজার-৪৭০০।

                                                                                     টেলিফোনঃ ০৩৪১-৫২৩৫৩

                                                                                         ফ্যাক্সঃ ০৩৪১-৬৪৪৭৯

                                                                             ই মেইলঃ  www.coxsairport@gmail.com

 

                                                                                            

 

 

০১।   সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ(বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান  চলাচল কর্তৃপক্ষ)

 বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) একটি সরকারী সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রালয়ের পক্ষে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ একটি নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হিসাবে জাতিসংঘের অঙ্গ সংগঠন ইকাও-এর (International  Civil Aviation Organization) সাথে সমন্বয় ও মান বজায় রেখে সুষ্ঠু ও নিরাপদ  বিমান চলাচলের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করে থাকে।

০২।    লক্ষ্যঃ

2.1  একটি বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশের আকাশ সীমায় সকল প্রকার  উড়োজাহাজের (Aircraft) নিরাপদ, ক্রমভিত্তিক ও ত্বরিৎ চলাচল নিশ্চিত করা।

2.2   বাংলাদেশের সকল বেসামরিক বিমান বন্দরের মাধ্যমে চলাচলকারী সম্মানিত যাত্রীগণের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত ও সেবামূলক সুবিধা প্রদান করা।

০৩।    সাধারণ সুবিধাদিঃ

একটি বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে বিমান বন্দরের চতুপার্শ্বে নিদ্ধারিত দূরত্ব পর্যন্ত প্রতিবন্ধকতার উচ্চতা বিধি অনুযায়ী অনুমোদন প্রদান, বাংলাদেশের আকাশ সীমায় নিরাপদ, নিয়মিত এবং দক্ষতার সাথে উড্ডয়ন ও অবতরণের সকল প্রকার এয়ার নেভিগেশন সুবিধা প্রদান করে থাকে। বেবিচক বাংলাদেশের সকল বিমান বন্দরে যাত্রী সেরা নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। যাত্রীসেবা প্রদানে বেবিচক বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণ সংক্রান্ত তথ্য প্রদর্শন ও ঘোষনা, বিশ্রাম কক্ষ, লাগেজ ট্রলি, কার পার্কিং ইত্যাদি ব্যবস্থা করে থাকে।

০৪।    এ্যারোনটিক্যাল সুবিধাঃ

4.1    এয়ারনেভিগেশন ও ল্যান্ডিং এইড সুবিধা।

4.2    এয়ার ট্রাফিক সার্ভিসেস।

4.3     এ্যারোনটিক্যাল ইনফরমেশন সার্ভিস।

4.4     রেজিষ্ট্রেশন অব এয়ারক্রাফট ও সার্টিফিকেট অব এয়ার ওয়ার্দিনেস।

4.5     পার্সোনাল লাইসেন্সিং ।

4.6     বিভিন্ন দেশের সহিত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সম্পাদন ও উড়োজাহাজ পরিচালনার অনুমতি প্রদান।

4.7     ছিনতাই ও বিষ্ফোরক প্রতিরোধক ব্যবস্থা।

4.8     নিখোঁজ উড়োজাহাজের অনুসন্ধান ও উদ্ধারকার্যক্রম এবং দূর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান।

 

০৫।   যাত্রী/কার্গো বিমানের লাইসেন্স প্রদানঃ

এফএসআর (Flight Safety & Regulation) বিভাগ/কার্গো বিমান পরিচালনায় লাইসেন্স প্রদান করে থাকে।

 

০৬।  পাইলট লাইসেন্স প্রদানঃ

6.1   পিপিএল (Private Pilot Licence/সিপিএল (Commercial Pilot Licence)/এটিপিএল (Airlines Transport Pilot Licence) ঃ

 

  লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য যে কোন Flying Traningপ্রতিষ্ঠান হতে নির্ধারিত Ground Courseও Flying Course সম্পন্ন করার  পর বেবিচক এর নিকট নিম্নবর্ণিত তথ্যাদিসহ আবেদন করতে হবে। 

  

 (ক)    পিপিএল প্রাপ্তির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদি (PPL Issue requirements)ঃ 

 ১)  গ্রাউন্ড কোর্সসহ ৫০ অথবা ৪০ ঘন্টা উড্ডয়নের সনদপত্র;

২)  ডাক্তারী সনদপত্র;

৩)  এসএসসি অথবা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র;

৪)  ক্রস-কান্ট্রি সনদপত্র;

৫)  ফ্লাইট টেষ্টে ( চেক পাইলট দ্বারা অনুমোদিত) প্রত্যয়নপত্র;

৬)  ইস্যু ফি ১০০০/- টাকা;

৭)  নূন্যতম বয়স ১৭ বৎসর;

৮)  ২ কপি ছবি (ষ্ট্যাম্প আকারের);

৯)  Type Technical Result.

 

(খ)    সিপিএল প্রাপ্তির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদি (CPL Issue requirements)ঃ

১)  মোট ২০০ ঘন্টা কোর্স ব্যতিত বা ১৫০ ঘন্টা অনুমোদিত কোর্সসহ উড্ডয়নের সনদপত্র;

২)  মেডিকেল বোর্ড কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র;

৩)  পদার্থ ও অংকসহ ২য় বিভাগে এইচএসসি (বিজ্ঞান) পাশ অথবা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রা;

৪)  ক্রস-কান্ট্রি সনদপত্র;

৫)  ফ্লাইট টেষ্টে ( চেক পাইলট দ্বারা অনুমোদিত) উত্তীর্ণের প্রত্যয়নপত্র;

৬)  ইস্যু ফি ১৫০০/- টাকা;

৭)  নীন্যতম বয়স ১৮ বৎসর;

৮)  ২ কপি ছবি (ষ্ট্যাম্প আকারের);

৯)  রিফ্রেসার সনদপত্র;

১০) Type Technical Result.

(গ)  এটিপিএল প্রাপ্তির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদি (ATPL Issue requirements)ঃ

১)   সর্বমোট ১৫০০ ঘন্টা (সিপিএল প্রাপ্তদের) উড্ডয়নের সনদপত্র;

২)   মেডিকেল বোর্ড কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র;

৩)   ২য় বিভাগে এইচএসসি (বিজ্ঞান) পাসের সনদপত্র;

৪)   সিমুলেশন প্রশিক্ষণের ফলাফল;

           ৫)   Type Technical Result.

৬)   ইস্যু ফি ২০০০/- টাকা;

৭)   নূন্যতম ১৮ বৎসর;

৮)   ২ কপি ছবি ( ষ্ট্যাম্প আকারের);

৯)   বেস ট্রেনিং/বেস চেক রিপোর্ট;

১০)  রুট ট্রেনিং/রুট চেক রিপোর্ট;

১১)  রিফ্রেসার সনদপত্র;

১২)  Crew Resource Management(CRM) এবং Safety Emergency Equipment Procedure (SEEP)সনদ;

১৩)  ইনিশিয়াল রুট চেক রিপোর্ট।

          ৬.২   উল্লেখিত তথ্যাদিসহ আবেদন করার পরে বেবিচক কর্তৃক নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সাপেক্ষে লাইসেন্স প্রদান করা হয়ে থাকে।

 

০৭।   উচ্চতার ছাড়পত্র প্রাপ্তির আবেদনের নিয়মাবলীঃ

          নিম্নবর্ণিত তথ্যাদিসহ রাজউক এর মাধ্যমে চেয়ারম্যান বেবিচক বরাবরে আবেদন করতে হবে।

1.      নির্মিতব্য ভবনের স্থানের অবস্থান চিহ্নিতকরণের জন্য লোকেশন ম্যাপ ( মৌজা/সিটি গাইড ম্যাপ)।

2.      প্রস্তাবিত স্থানের জিপিএস (Geographical Positioning System) কো-অর্ডিনেট;

3.      প্রস্তাবিত স্থানের দাগ নং সহ হোল্ডিং নং (যদি থাকে);

4.      প্রস্তাবিত স্থানের উপর কত তলা/কত ফুট উচ্চতা সম্পন্ন ভবন নির্মাণ করা হবে তার সুস্পষ্ট উল্লেখ; এবং

5.      প্রস্তাবিত স্থানের উপর অত্র দপ্তর হইতে পূর্বে ছাড়পত্র প্রদান করা হয়ে থাকলে তার উল্লেখ (সূত্রসহ)।

          

০৮।   আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরঃ

ক) হযরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর, ঢাকা।

খ) শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর, চট্টগ্রাম।

গ) ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর, সিলেট।

 

০৯।    অভ্যন্তরীণ বিমান বন্দরঃ

ক) কক্সবাজার বিমান বন্দর, কক্সবাজার।

খ) যশোর বিমান বন্দর, যশোর।

গ) শাহ মখদুম বিমান বন্দর, রাজশাহী।

ঘ) সৈয়দপুর বিমান বন্দর, সৈয়দপুর।

ঙ) বরিশাল বিমান বন্দর, বরিশাল।

 

১০।    পরিচিতি (কক্সবাজার বিমান বন্দর)ঃ

দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় নির্মিত কক্সবাজার বিমান বন্দরটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীন বিমান বন্দরগুলোর মধ্যে অন্যতম। আজ থেকে দীর্ঘ ৫৪ বৎসর পূর্বে ১৯৫৬ সালে কক্সবাজার বিমান বন্দরটি অভ্যন্তরীণ বিমান বন্দর হিসেবে পরিচালিত হয়ে আসছে। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রান্তিক ভবন বিধ্বস্ত হওয়ায় উহা পুনঃনির্মাণ ও বিমান বন্দরের সার্বিক পুনর্বাসন/সংস্কার কাজের মাধ্যমে ১৯৭৩ সালের শেষভাগ থেকে কক্সবাজার বিমান বন্দরটি পুনরায় অভ্যন্তরীণ বিমান বন্দর হিসেবে চালু করা হয়। কক্সবাজার বিমান বন্দরটি সর্বমোট ২১৯ একর জমির উপর অবস্থিত। বর্তমানে দুটি এয়ার অপারেটর কমার্শিয়াল প্যাসেন্জার ফ্লাইট পরিচালনা করিতেছে এবং দক্ষিণাঞ্চলে ০৩ এর অধিক কমার্শিয়াল কার্গো অপারেটর কার্গো এয়ারক্রাফ্ট  চিংড়ী পোনা বহন করিতেছে। এভাবে দেশের অথনীতিতে অত্র বিমান বন্দরটি  গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করিতেছে। বিমান বন্দরটি কক্সবাজার শহর হতে ০২(দুই) কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত।

 

অবকাঠামোঃ

কক্সবাজার বিমান বন্দরের বর্তমান অবকাঠামোগত অবস্থা নিন্মরূপঃ

১। দ্বিতল যাত্রী প্রান্তিক ভবন যাহার দৈর্ঘ্য ১১৫ ফুট এবং প্রস্থ ৫০ফুট।

২। ভি.আই.পি লাউঞ্জ যাহার দৈর্ঘ্য ৪০ ফুট এবং প্রস্থ ৩৮ ফুট ।

৩। আগমনী যাত্রী লাউঞ্জ যাহার দৈর্ঘ্য ৪৩ ফুট এবং প্রস্থ ৩২ ফুট ।

৪। রানওয়ে যাহার দৈর্ঘ্য ৬৭৭৫ ফুট ও প্রস্থ ১২৫ ফুট ।

৫। ট্যাক্সিওয়ে ০২(দুই) টি।

৬। বিমান পাকিং এপ্রোনঃ ৪০০ ফুট ও ২৬০ ফুট এবং ৩১০ ফুট ও ৩৩০ ফুট ।

            উহাতে ১০০ফুট দৈর্ঘ্য এং ১০০ ফুট ফিউজালেজ এর  ০৬ টি বিমান পার্কিং করন  ক্ষমতা বিদ্যমান।

 

   এগুলো ছাড়াও ১০০ কেভিএ  ষ্ট্যান্ডবাই জেনারেটর, বেসিক রানওয়ে রানওয়ে লাইটিং সিস্টেম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নাব্য ও কমিউনিকেশন  

   সুবিধাদি বিদ্যমান রয়েছে।

 

            কক্সবাজার বিমান বন্দর, কক্সবাজার কর্তৃক প্রদত্ত সেবাসমূহঃ

 

ক)   অপারেশনাল কাজঃ

অত্র বন্দরে এটিসি ওয়াচ আওয়ার ০১৩০ ইউটিসি হতে ০৯৩০ ইউটিসি পর্যন্ত বিদ্যমান। এয়ার অপারেটর এর প্রয়োজনে শর্ত সাপেক্ষে উহা বর্ধিত করা হয়। তবে জরুরী প্রয়েজনে  কক্সবাজার এয়ার পোর্ট ক্যাটাগরি-০৫। অত্র এরোড্রম এ ননপ্রিসিশন এপ্রোচ ইন্সুট্রুমেন্ট রানওয়ে বিদ্যমান আছে।

বর্তমানে দুটি এয়ার অপরেটর  সিডিউল্ড কমার্শিয়াল প্যাসেঞ্জার ফ্লাইট অপরেট করিতেছে। এছাড়া  নভো এয়ার লিঃ নামে একটি নুতন এয়ার অপরোটর কমার্শিয়াল প্যাসেঞ্জার ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি গ্রহন করেছে। প্রতিবছর নির্দিষ্ট সময়ব্যপী কয়েকটি এয়ার অপরেটর কক্সবাজার - যশোর - কক্সবাজার রুটে কমার্শিয়াল কার্গো ফ্লাইট পরিচালিত করিতেছে।

                                                             

                                                     

গ্রীষ্মকালীন  শিডিউল কমার্শিয়াল প্যাসেন্জার ফ্লাইট

ফ্লাইট রূটঃ ঢাকা - কক্সবাজার - ঢাকা

ক্রমিক নং

নাম

 

ফ্লাইট নাম্বার

বার

ঢাকা হইতে ডিপার্চার (স্থানীয় সময়)

 

কক্সবাজার আগমন

(স্থানীয় সময়)

 

কক্সবাজার হইতে ডিপার্চার

(স্থানীয় সময়)

 

ঢাকায় অবতরণ

(স্থানীয় সময়)

 

ইউ. এস. বাংলা এয়ারলাইন্স

BS-141/142

সপ্তাহে প্রতিদিন I

12:00

13:00

13:20

14:20

নভো এয়ার বিডি প্রাঃ লিঃ

NVQ-931/932

NVQ-933/934

সপ্তাহে প্রতিদিন I
সোম ও বুধ বাদে সপ্তাহে প্রতিদিন I

 

10:30

14:30

11:25

15:25

11:55

15:55

12:50

16:50

ইউনাইটেড এয়ার বিডি প্রাঃ লিঃ

UBD-511/512

সপ্তাহে প্রতিদিন I

14:00

15:00

15:20

16:20

রিজেন্ট এয়ার প্রাঃ লিঃ

RGE-741/742

শনি, সোম, বুধ, বৃহঃ I

15:00

16:00

16:20

17:20

 

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স

BG-433/434

 

BG-435/436

মঙ্গল ও বৃহস্পতিবাদে সপ্তাহে প্রতিদিন I
শুধু বৃহস্পতি বার I

10:00

 

13:50

11:00

 

14:50

11:25

 

15:15

12:25

 

16:15

 
       
      

খ)   অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থাঃ

বিমান বন্দরে সকল স্থাপনার অগ্নি দুর্ঘটনার ও ০৫ ক্যাটাগরির এয়ারক্রাফটের দূর্ঘটনা মোকাবেলার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিসহ পর্যাপ্ত সংখ্যক অগ্নি নির্বাপক কর্মী সার্বক্ষনিক নিয়োজিত আছেন।

 

গ)   কার পার্কিংঃ

বিমান বন্দরের প্রান্তিক ভবনের সম্মুখভাগে বিস্তীর্ণ জায়গা জুড়েকার পার্কিং এর ব্যবস্থা আছে। বর্তমানে কার পার্কিং এলাকা ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান আছে। ইজারা দেওয়া হলে নির্দিষ্ট ফি এর বিনিময়ে সম্মানিত যাত্রীগণ নিজ নিজ গাড়ী নিরাপদে পার্কিং করতে পারবেন। সম্মানিত ভি.আই.পি যাত্রীদের জন্যেও বিমান বন্দরের ভি.আই.পি লাউঞ্জের সামনে কার পার্কিং করার ব্যবস্থা আছে।

 

ঘ)   আগমনী লাউঞ্জঃ

সম্মানিত যাত্রী সাধারন বিমান থেকে অবতরনের পর যাত্রীর অবস্থানের জন্য বিমান বন্দরের দক্ষিণ প্রান্তে আমাদের সু-সজ্জিত আগমনী লাউঞ্জ অবস্থিত।

 

ঙ)    ভি.আই.পি লাউঞ্জঃ

বিভিন্ন ভি.আই.পি, সি.আই.পি, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী, সরকারী বিভিন্ন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, বেসরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের ব্যবহারের জন্য ভি.আই.পি লাউঞ্জ আছে। তবে ভি.আই.পি লাউঞ্জ ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট দিনের ০৩ (তিন) দিন পূর্বে ব্যবহার কারীর নাম, পদবী,বিস্তারিত ঠিকানা উল্লেখ পূর্বক বিমান বন্দর ব্যবস্থাপক, কক্সবাজার বিমান বন্দর বরাবর লিখিত আবেদন দিতে হয়।

 

চ)    স্ক্যানিং মেশিনঃ

যাত্রীদের লাগেজ স্ক্যান করার জন্য প্রান্তিক ভবনে স্ক্যানিং মেশিনের সুযোগ সুবিধা রয়েছে। প্রতিটি হোল্ডিং লাউঞ্জে এন্টি হাইজ্যাক চেক পয়েন্ট ও আর্চওয়ে রয়েছে। এ ছাড়াও প্রতিটি প্রবেশ পথে হ্যান্ড মেটাল ডিটেকটর দ্বারা চেকিং এর ব্যবস্থা রয়েছে। বেবিচকের কর্মচারী গণ কার্যকালীন সময় পর্যন্ত এখানে সেবা প্রদানে নিয়োজিত রয়েছেন।

 

ছ)   পাবলিক অ্যাড্রেস (পি,এ) সিষ্টেমঃ

যাত্রীদের জরুরী জ্ঞাতার্থে চেক-ইন ও বোডিং এবং প্রাপ্তি ও হারানো বিজ্ঞপ্তিসহ সেবা সংশ্লিষ্ট সকল প্রকার ঘোষণার জন্য পাবলিক অ্যাড্রেস সিষ্টেম (পি,এ) স্থাপনের জন্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া চলমান আছে।

 

জ)   লাগেজ ট্রলিঃ

        প্রান্তিক ভবন ও আগমনী লাউঞ্জে সম্মানিত যাত্রীদের মালামাল বহনের সুবিধার্থে পর্যাপ্ত পরিমাণে উন্নতমানের বিনামূল্যে লাগেজ ট্রলির ব্যবস্থা রয়েছে।

 

ঝ)   সহায়তা কার্যক্রমঃ

অসমর্থ/ প্রতিবন্ধী যাত্রীদের সংশ্লিষ্ট এয়ার অপারেট দের পর্যাপ্ত হুইল চেয়ারের সুবিধা রয়েছে।

 

ঞ)   প্রাথমিক চিকিৎসাঃ

যাত্রীদের অসুস্থতা অথবা দুর্ঘটনার কারণে আহত যাত্রীবৃন্দের  জরুরী প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের জন্য বেবিচকের প্রাথমিক চিকিৎসক দল থাকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে। বর্তমানে বিমান বন্দরে অসুস্থ যাত্রীদের হাসপাতালে নেওয়ার জন্য একটি এ্যাম্বুলেন্স আছে।     

 

ট)   কার্গো সার্ভিসঃ

অত্র বিমান বন্দর হতে চিংড়ি পোনা পরিবহনের জন্য বর্তমানে ইজি ফ্লাই এক্সপ্রেস ও বিসমিল্লাহ এয়ারলাইন্সসহ কয়েকটি কার্গো বিমান কক্সবাজার হতে যশোর পর্যন্ত চিংড়ি পোনা পরিবহন করে আসছে।

 

ঠ)   যাত্রী পরিবহনঃ

বর্তমানে কক্সবাজার হতে প্রতিদিন ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ ও রিজেন্ট এয়ারওয়েজ নামে দুইটি বিমান সংস্থার বিমান ঢাকা হতে কক্সবাজার এবং কক্সবাজার হতে ঢাকায় যাত্রী পরিবহন করছে। চুক্তিবদ্ধ নভো এয়ার নামে আরেকটি বিমান সংস্থা অচিরেই যাত্রী পরিবহন শুরু করবে। এছাড়াও বিভিন্ন সংস্থার বিমান কক্সবাজার বিমান বন্দরে বিভিন্ন সময়ে তাদের বিমান পরিচালনা করে থাকে।

 

ড)   টিকেট সেলস কাউন্টারঃ

যাত্রীদের সুবিধার্থে প্রান্তিক ভবনের কনকোর্স হলে বিভিন্ন এয়ারলাইন্স কোম্পানীর টিকেট সেলস কাউন্টার রয়েছে।

 

ঢ)    আপ্যায়ন সুবিধাঃ

খুব শীঘ্রই প্রান্তিক ভবনে নিচ তলায় খাবার/স্ন্যাক্স গ্রহনের জন্য একটি ক্যান্টিন খোলার প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে আছে।

 

             বিমান বন্দরের প্রয়োজনীয় টেলিফোন, মোবাইল নম্বর, ই-মেইল ঠিকানা সমূহঃ

                                                                    বিমান বন্দর ব্যবস্থাপকঃ ০৩৪১-৫২৩৫৩

                                                                কন্ট্রোল টাওয়ার/তথ্য কেন্দ্রঃ  ০৩৪১- ৬২০১০

                                                                     যোগাযোগ প্রকৌশল শাখাঃ 

                                                                              নিরাপত্তা শাখাঃ

                                                                          অগ্নি নির্বাপন শাখাঃ

                                                       ই-মেইলঃ  apcox@caab.gov.bd